হারাতে বসছেে টাঙ্গাইলরে ভূঞাপুররে মৃৃৎশল্পি

0

মোস্তফা কামাল নান্নু.
Tangail Bhuiyanpur news 12-09-15 .doc(1)মৃৎশল্পিীরা ভালোবাসা ও মমতা দয়িে নপিুন হাতে কারু কাজরে মাধ্যমে মাটি দয়িে তরৈি করে থাকনে নানা তজৈসপত্র। তাদরে জীবন জীবকিার হাতয়িার হলো মাট।ি কন্তিু কালরে বর্বিতনে তাদরে ভালোবাসার জীবকিা ফকিে হতে বসছে।ে দনি যতই যাচ্ছ,ে ততই বাড়ছে আধুনকিতা। আর এই আধুনকিতা বাড়ার সাথে সাথে হারয়িে যাচ্ছে মাটরি তরৈি শল্পিপণ্যগুলো। এক সময় মাটরি তরৈি তজৈসপত্ররে প্রচুর ব্যবহার ছলি। সইে তজৈসত্ররে স্থান দখল করে নয়িছেে এ্যালুমনিয়িাম ও প¬াস্টকিরে তরৈি তজৈসপত্র। এসবরে দাম বশেি হলওে অধকি টকেসই। তাই টাকা বশেি হলওে এ্যালুমনিয়িাম ও প¬াস্টকিরে তরৈি তজৈসপত্রই কনিে থাকে সাধারণ মানুষরো। কাঁচ, পাস্টকি আর মলোমাইনরে ভড়িে এখন মাটরি তরৈি ঐ জনিসিপত্র গুলো প্রতযিোগীতায় টকিে থাকতে পাড়ছে না।
জানা যায়, টাঙ্গাইলরে ভূঞাপুর উপজলোর ফলদা কুমার পাড়ায় ২০০ টি কুমার পরবিার বসবাস করছ।ে এর মধ্যে ৮০টি পরবিার সরাসরি মৃৎ শল্পিরে উপর নর্ভিশীল। দনি রাত একাকার করে মাটি দয়িে তরৈি করছে বভিন্নি মৃৎ-পণ্য। কন্তিু সঠকি দাম নাম পাওয়ায় আর র্বতমান অবস্থায় কাজ করতে হমিশমি খাচ্ছে এ সকল কারগিররা। র্বতমানে গ্রাম অঞ্চলরে বভিন্নি উৎসব, মলোয় তরৈি খলেনা পুতুল ছাড়া অন্য কোন মৃৎ শল্পিরে গ্রাহক নইে বললইে চল।ে র্বতমানে অ্যালুমনিয়িাম, প¬াস্টকি ও স্টলিরে জনিসিপত্ররে সঙ্গে প্রতযিোগতিায় টকিে থাকতে না পরেে মৃৎশল্পি আজ বলিুপ্তরি মুখে পড়ছে।ে ফলে এ পশোয় জড়তি বশিষে করে এটাই যাদরে জীবকিার একমাত্র অবলম্বন তাদরে জীবনযাপন একবোরইে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে।ে
সরজেমনিে গয়িে দখো যায়, মৃৎ শল্পিীরা মাটি দয়িে তরৈি করছনে পুতুল, ফুলরে টব, কুয়ার পাত, হাঁড়ি পাতলি সহ বভিন্নি নৃত্য প্রয়োজনীয় জনিসিপত্র। পরে সগেুলোকে তারা শহররে দোকান এবং বাসা বাড়তিে বক্রিয় করে থাকনে কন্তিু কালরে বর্বিতনে মৃৎ শল্পিরে ব্যবহার তমেন এখন চোখইে পরে না, এখন সৌখনি জনিসিপত্র এবং কূয়ার পাতই একমাত্র ভরসা। ফলদা মৃৎ শল্পিরে পুরনো কারগির মঙ্গল পাল (৬০) জানান এখন মাটরি তরৈি কোন কছিু মানুষ কনিতে আসে না। এখন পাস্টকি আর কাঁচরে তরৈি বভিন্নি ধরণরে খলেনা ও শো পচি কনিতে সবাই ব্যস্ত। মহন পাল নামে আরকে কারগির বলনে, আমাদরে তরৈি মৃৎ-শল্পিরে বাজারদর ভালো ছলি কন্তিু পাস্টকি আর কাঁচরে ব্যবহার বাড়ার কারনে আজ আমাদরে ব্যবসা ধ্বংসরে পথ।ে এতে অনকেইে পশো ছাড়তে বাধ্য হচ্ছ।ে
এ বষিয়ে ভূূঞাপুর শহররে মৃৎশল্পি ব্যবসায়ী রাজন পাল বলনে, আগে আমাদরে ব্যবসা ভাল চলত । আগে যখন শসিা, প¬াস্টকিরে মাল ছলি না তখন আমরা রমরমা ব্যবসা করতাম। আর এখন মাটরি তরৈি জনিসিরে প্রতি মানুষরে আর্কষণ নইে। এখন মাটরি জনিসি চলে কম। অন্যান্য কাজ করে আমরা এগয়িে যাই কন্তিু আমরা মাটরি কাজ করে এগয়িে যতেে পারছি না। আমার বয়স যখন ১০-১২ বছর তখন আমি ২ টাকা থকেে ৫ টাকা করে পাতলি বক্রিি করতাম। আগে অনকে লোকজনই এই ব্যবসায়রে সাথে জড়তি ছলি। র্বতমানে অনকেইে এই ব্যবসা ছড়েে দচ্ছি।ে আগে যে পরমিাণে বক্রিি হতো, তার থকেে এখন ৪ ভাগরে ১ ভাগ বক্রিি হয়। আবার অনকে সময় চলইে না। এখন আমাদরে এ ব্যবসায় একবোরইে অচল। যারা এ ব্যবসায় স্মৃতি হসিবেে ধরে রখেছে,ে তারা একদমই চলতে পারে না।
মৃৎশল্পি ভ্রামমাণ ব্যবসায়ী গবশে পাল বলনে, আমাদরে এই ব্যবসায় এখন ১৬ আনার মধ্য ৬ আনা চল,ে ১০ আনাই চলে না । আমাদরে ছলে-েময়েে আছ,ে ছলে-েময়েদেরে লখো-পড়া করাতে গলেে যে র্অথরে দরকার, এই ব্যবসায় থকেে তা উঠানো যায় না। চাকররিক্ষত্রেে ৫ থকেে ১০ লাখ টাকা লাগতছেে এই টাকা দবিে ক।ে আর এই জন্যই আমরা ভাত পাই বা না পাই বাধ্য হয়ইে এই কাজ করতছে।ি
মৃৎশল্পি ব্যবসায়ী নতিাই পাল বলনে, আমাদরে এই ব্যবসায় এখন চলে না, এই ব্যবসায় এখন কোন ভলেু নাই। বৃদ্ধ বয়সে এখন কি করব, তাই জোর করইে এই ব্যবসায় কর।ি সলিভার, প¬াস্টকি, স্টলিরে পণ্য নামার কারণে এই ব্যবসায় অচল হয়ে যাচ্ছ।ে কসল,ি হাড়ি পাতলি এগুলো এখন একদমই চলে না। এই কাজ করে আমাদরে ছলে-েময়েদেরে লখোপড়া করানো খুব কষ্ট হয়ে পড়।ে তনিি আরো জানান আধুনকি তজৈসপত্র- পত্ররে প্রতযিোগীতায় হরেে গয়িে বলিুপ্তরি পথইে এগয়িে চলছে এখন মৃৎশল্পি।

Share.

About Author

Leave A Reply