পিসমেকিং ক্রিমিনোলজী ও রেষ্টোরেটিভ জাস্টিজ বিষয়ে সেমিনার

0

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি.
বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিমিনোলজী এর উদ্যোগে Peacemaking Criminology and Restorative Justice: Opportunities and 02Challenges বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রবন্ধ পাঠ করেন সায়মন ফ্রেজার বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্কুল অব ক্রিমিনোলজী’ বিভাগের পিএইচডি ছাত্র ও ফ্রেজার ভ্যালী বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের শিক্ষক মোঃ আছাদুল্ল্যাহ। বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিমিনোলজী এর সভাপতি ড. জিয়া রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজিজুর রহমান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া উইংয়ের যুগ্ন কমিশনার মোঃ মনিরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক খায়রুল চৌধুরি, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ব ও পুলিশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম, সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ ওমর ফারুক, মোসাঃ নুরজাহান খাতুন ও মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।
উপস্থাপিত প্রবন্ধে মোঃ আছাদুল্ল্যাহ বলেন,  ‘উত্তর আমরিকাসহ ইউরোপীয় দেশগুলোতে এখন অপরাধী ও ভূক্তভোগীদের সম্পর্ক উন্নয়ন বিষয়ে বিকল্প বিচারব্যবস্থার উন্নয়ন প্রশ্নে রেষ্টোরেটিভ জাস্টিজ ও পিসমেকিং ক্রিমিনোলজী গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রশ্নে বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে অপরাধীদের মেডিয়েশন ও উন্নয়ন প্রশ্নে এগুলো কাজ করতে পারে। ফলে এখানে পুলিশ, জেল, আইনবিভাগ, এনজিও ও একাডেমিক ডিসিপ্লিন একসাথে কাজ করতে পারে।’
সেমিনারে যুগ্ন কমিশনা মনিরুল ইসলাম বলেন, উপনিবেশিক আইন দ্বারা বাংলাদেশ পুলিশ পরিচালিত হলেও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে অপরাধী-ভিকটিমের সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশের মধ্যে কমিউনিটি উন্নয়ন বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম চালু করা হচ্ছে। সংশোধনমূলক বিভিন্ন কর্মসূচী চালু হচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশ এ ব্যাপারে আশাবাদী।’
ড. জিয়া রহমান বলেন,‘ বাংলাদেশে ক্রিমিনোলজী শুরুর সাথে সাথে আমরা সমন্বিত ভাবে পুলিশ, জেল ও ক্রিমিনোলজী বিভাগ একসাথে কাজ করার চেষ্টা করছি। আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিচার ব্যাবস্থার উন্নয়ন হবে রেষ্টোরেটিভ জাস্টিজ ও পিসমেকিং ক্রিমিনোলজীর একাডেমিক বিষয় উন্নয়নের মাধ্যমে।’
সেমিনার শেষে ড. জিয়া রহমানকে সভাপতি এবং মোঃ আজিজুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে করে বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিমিনোলজী এর ২০১৫-২০১৬ সেশনের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট এক নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন মোঃ মনিরুল ইসলাম (সহ-সভাপতি), মুহাম্মদ ওমর ফারুক (সহ-সভাপতি), মোঃ আশরাফুল আলম  (কোষাধ্যক্ষ), মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (সহ-সাধারণ সম্পাদক), মোঃ বিন কাসেম (নির্বাহী সদস্য), মোসাঃ নুরজাহান খাতুন (নির্বাহী সদস্য), সুব্রত ব্যানার্জী (নির্বাহী সদস্য)।

Share.

About Author

Leave A Reply